সিলেটে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার ২

0
সিলেটে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার ২
সিলেটে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার ২

সিটিএনবিঃ গত শুক্রবার রাতে এমসি কলেজ ক্যাম্পাস থেকে নববিবাহিত এক দম্পতিকে তুলে নেয় ছাত্রলীগ ক্যাডার এম. সাইফুর রহমান, শাহ মাহবুবুর রহমান রণিসহ কয়েকজন। পার্শ্ববর্তী ছাত্রাবাসে নিয়ে স্বামীকে বেঁধে স্ত্রীকে গণধর্ষণ করে তারা।

পরে পুলিশ গিয়ে স্বামী-স্ত্রীকে উদ্ধার করে। গুরুতর আহতাবস্থায় স্ত্রীকে ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওসিসিতে ভর্তি করা হয়।

এ ঘটনায় ধর্ষিতার স্বামী বাদি হয়ে ছাত্রলীগের ৬ ক্যাডারের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরও ৩ জনকে আসামী করে সিলেট মহানগরীর শাহপরাণ থানায় মামলা দায়ের করেন।

এছাড়া ঘটনার পর অভিযান চালিয়ে এমসি কলেজ ছাত্রাবাসের সাইফুর রহমানের রুম থেকে একটি আগ্নেয়াস্ত্রসহ ধারালো ও দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় থানায় অস্ত্র আইনেও একটি মামলা হয়।

গণধর্ষনের ঘটনার পর আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর সদস্যরা আসামী ধরতে মাঠে নামলেও তারা ছিল অধরা। শেষ পর্যন্ত সুনামগঞ্জের ছাতক থেকে ধরা পড়ে মামলার প্রধান আসামী সাইফুর রহমান।

এদিকে, সাইফুর রহমানকে পুলিশের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মহানগর পুলিশের শাহপরাণ থানা পুলিশের কাছে হস্তান্তর করেন।

তদন্ত সংশ্লিষ্ট পুলিশের এক কর্মকর্তা জানান, সাইফুর গ্রেফতার এড়াতে বাঁচতে তার মুখের দাঁড়ি কেটে ফেলে। সে সীমান্ত পথ ব্যবহার করে ভারতে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

গ্রেফতারের পর সাইফুর পুলিশের কাছে ঘটনার বিস্তারিত বর্ণনা দেয়।

এমসি কলেজের একাধিক শিক্ষার্থী জানান, সাইফুর এমসি কলেজের ইংরেজী বিভাগ থেকে মাস্টার্স পরীক্ষা দিয়েছে। তার ইভটিজিং ও হয়রানির কারণে এমসি কলেজ থেকে অনেক মেয়েরা অন্য কলেজে চলে যায়।

এমনকি কলেজে সাইফুরসহ তার সহযোগীরা সাধারণ শিক্ষার্থীকে জিম্মী করে চাঁদাবাজিও করে আসছে।

ধর্ষণ ও অস্ত্র মামলার প্রধান আসামী সাইফুর রহমান আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর হাত থেকে গ্রেফতার এড়াতে মুখের দাড়িও কেটে ফেলে। তবুও তার রক্ষা হয়নি।

রবিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) ভোরে সুনামগঞ্জ জেলার ছাতক থানাধীন সীমান্তবর্তী এলাকা খেয়াঘাট থেকে গোপন তথ্যের ভিত্তিতে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করে।

গ্রেফতারকৃত সাইফুর রহমান বলাগঞ্জের চান্দাইপাড়া গ্রামের তাহিদ মিয়ার ছেলে।

এদিকে রবিবার ভোর ৬টার দিকে হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার মনতলা নামক এলাকা থেকে অর্জুন লঙ্কর নামের আরেক আসামিকে গ্রেফতার করে সিলেট জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

অর্জুনের বাড়ি সিলেটের জকিগঞ্জ উপজেলায়।

সূত্র জানায়, ধর্ষনের ঘটনার পর অর্জুন পালিয়ে যায় হবিগঞ্জের মাধবপুর। সেখানে মনতলা এলাকায় তার এক আত্মীয়ের বাড়িতে অবস্থা নিয়েছিল সে।

তথ্য প্রযুক্তির মাধ্যমে অর্জুনের অবস্থান সনাক্ত করে রবিবার সকালে অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেফতার করে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ।

মামলার অন্য আসামীরা হলো- শাহ মাহবুবুর রহমান রনি, তারেক আহমদ, অর্জুন লঙ্কর, রবিউল ইসলাম ও মাহফুজুর রহমান।

এরা সবাই ছাত্রলীগের রাজনীতির সাথে জড়িত।

Bangladesh bd news breaking news city news City TV News Bd coronavirus Coronavirus Bangladesh coronavirus outbreak coronavirus update COVID-19 CTNB Fake Corona Report indian Citizenship Amendment Act NRC pandemic Russian sylhet news Update news অর্থনীতি আন্তর্জাতিক নিউজ আমরা জালালাবাদ ইউনিয়নবাসী করোনাভাইরাস করোনা ভাইরাস খবর করোনাভাইরাসের কোভিড-১৯ কোভিড-১৯ কোভিড১৯ গোলজার আহমদ হেলাল জালাল আহমদ জালালাবাদ ইউনিয়ন পরিবার পরিকল্পনা সেবা বদর উদ্দিন ওয়েলফেয়ার ফাউন্ডেশন বন্ধ হচ্ছে সূর্যের হাসি ক্লিনিক শিশু স্বাস্থ্য শেখ হাসিনা সাংবাদিক তাজুল ইসলাম সিটিএনবি সিটি টিভি নিউজ বিডি সিলেট অনলাইন প্রেসক্লাব সিলেট সদর উপজেলা সিলেটের খবর সূর্যের হাসি ক্লিনিক সূর্যের হাসি নেটওয়ার্ক স্বাস্থ্য সেবা ১ নং জালালাবাদ ইউনিয়ন ১নং জালালাবাদ ইউনিয়ন

শেয়ার করুন: